বুকে ব্যথা মানেই কি হৃদরোগ এর লক্ষণ জেনে নিন

প্রিয় পাঠক, বুকে ব্যথা মানেই কি হৃদরোগ তা জানতে আমার এই আর্টিকেলটি পড়ুন। অনেক মানুষ জানে না যে বুকে ব্যথা মানে কি হৃদরোগ কিনা।তাই আজ আমি বুকে ব্যথা মানেই কি হৃদরোগ কি না তা বিস্তারিত আলোচনা করবো।

চলুন তাহলে বন্ধুরা দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক বুকে ব্যথা মানেই কি হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ কি না।

বুকে ব্যথা মানেই কি হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাক ?

আমাদের মধ্যে সব সময় একটি আতঙ্ক কাজ করে যে বুকে ব্যথা হলেই মনে হচ্ছে হার্টের কোন রোগ শুরু হচ্ছে। বুকে ব্যাথা হলেই আমাদের সকলের একটি ধারণা হৃদরোগের লক্ষণ।তবে সবাই জেনে রাখুন বুকে ব্যথা মানেই হৃদরোগ নয়। বিভিন্ন কঠিন পরিশ্রম, মানসিক চাপ, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, কোন আঘাত জনিত 

আরো পড়ুন :মাথা ব্যাথার কারণ প্রতিকার চিকিৎসা ও এর ঔষধ সম্পর্কে জেনে নিন

ব্যথা ইত্যাদির কারণে বুকে ব্যথা হলে হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকের সমস্যা নয়। ব্যাথার ধরনটা আমাদের সকলের বুঝতে হবে। চিকিৎসকদের মতে,যদি হার্টের সমস্যা হয় তাহলে একেবারেই বুকের মাঝখানে চাপ ধরে থাকার মত ব্যথা হবে। মনে হবে বুকের মধ্যে কেউ বা কোন কিছু চেপে ধরে বসে আছে। 

এই ব্যথা আবার পেট, ঘাড় ,চোয়ালের দিকে যেতে পারে। এবং তার সাথে প্রচণ্ড ঘাম হবে। এছাড়া শ্বাসকষ্ট হতে পারে এবং হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাবে। এই ধরনের লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা দিলে বুঝতে হবে হার্ট অ্যাটাকের সমস্যার দিকে যাচ্ছে।তাহলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে জরুরী বিভাগে রোগীকে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হবে। 

তবে তার আগে যদি সাধারন বা হালকা কোন বুকে ব্যথা হয় তাহলে রোগীকে এ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ সেবন করা যেতে পারে। এটি খেয়ে যদি বুকে ব্যথা না কমে বা না সারে তাহলে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। 

হৃদরোগ ছাড়া অন্য যেসব কারণে বুকে ব্যথা: 

বুকে ব্যথা মানেই কি হৃদরোগ এটা জানার জন্য হৃদ রোগের ব্যথা ছাড়া বা হার্ট অ্যাটাকের ব্যথা ছাড়া অন্য যেসব কারণে বুকে সাধারণ ব্যাথা হয় চলুন তা জেনে নিই। 

  • আঘাত জনিত ব্যাথা- বুকে অনেক সময় আঘাত লাগে যেমন খেলাধুলা বা ভারী কাজ করলে বা ভারি কোনো জিনিস মাথায় তোলা নামা করার সময় বুকে চোট লাগে এ কারণে ব্যাথা হয়। কোন ওষুধের জন্য এমনকি ফুসফুসের সমস্যার জন্য বুকে ব্যথা হতে পারে। এজাতীয় ব্যথা কোন মারাত্মক ব্যথা না সাধারণ কোন ব্যথা নাশক ওষুধ খেলেই এই ব্যথা সেরে যাবে।
  • গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা- খাদ্য হজম করার জন্য কোন কোন সময় এই এসিড খাদ্যনালীতে চলে আসে ফলে বুক ও গলা জ্বালাপোড়া হতে পারে সে ক্ষেত্রে গ্যাস্ট্রিকর ওষুধ খেলে এই ধরনের ব্যথা বা জ্বালা পোড়া সেরে যেতে পারে।
  • খাবারের পর ব্যথা- অনেক সময় খাবারের ত্রুটির কারণেও বুকে জ্বালা পোড়া হতে পারে।কিন্তু এই ব্যথা বেশিক্ষণ থাকে না। কয়েক ঘন্টা স্থায়ী হতে পারে। কোন কোন ক্ষেত্রে খাদ্য গিলতে অসুবিধা হলেও বুকে ব্যথা হতে পারে।
  • ভয় বা আতঙ্ক জনিত ব্যথা- অনেক সময় ভয় বা ভীতি বা আতঙ্ক হলে বুকের মধ্যে ধড়ফড় করে। তখন ঘন ঘন নিঃশ্বাস নেওয়ার উপসর্গ হতে পারে এবং ঘাম হতে পারে। এ ধরনের ব্যথার জন্য নাইট্রোগ্লিসারিন জাতীয় ঔষধ সেবন করলে এ ধরনের ব্যথা ভালো হয়ে যাবে।
  • আলসার- পেটে যদি আলসার থাকে তাহলে বুকে ব্যথা হতে পারে। আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে করে আলসার যদি ধরা পড়ে তাহলে আলসারের চিকিৎসা করলে আলসার যদি ভালো হয়ে যায় তাহলে বুকের ব্যথা সেরে যাবে।
  • এ্যাজমা: কারো যদি এ্যাজমা থাকে তাহলে বুকে ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ভেজা বা স্যাঁতসেতে ও নোংরা পরিবেশে বসবাস করা থেকে বিরত থাকুন।
  • মানসিক চাপ -মানুসিক চাপ, অতিরিক্ত চিন্তা ভাবনা, টেনশন ও ডিপ্রেশনের কারণেও বুকে ব্যথা হতে পারে। তাই এ সমস্ত বিষয় থেকে আমাদের বেরিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে।
  • ঘুম কম হওয়া- ঘুম না হওয়া বা ঘুম কম হওয়ার কারণে বুকে ব্যথা হতে পারে। তাই নিয়মিত প্রতিদিন ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
  • নিউমোনিয়া- এই রোগের ক্ষেত্রে ফুসফুসের প্রদাহ হয়। ফলে বুকে ব্যথা হতে পারে। তাই নিউমোনিয়া যদি হয়ে থাকে। তাহলে তাড়াতাড়ি চিকিৎসা করে নিউমোনিয়া ভালো করতে হবে। নইলে বুকের ব্যথা আরো জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
  • পানি শূন্যতা- আমাদের দেহে প্রায় ৬০% পানি থাকবে যা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ সহ অক্সিজেন ও পুষ্টির কোনায় পৌঁছে দিতে সাহায্য করে। শরীরে পানির মাত্রা কমার কারণেও বুকে ব্যথা হতে পারে। তাই বুকের ব্যথা রোধ এবং অন্যান্য রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।
  • বদহজম- সাধারণত বদহজমের কারণেও বুকে ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এটা সাধারণত অস্থায়ীভাবে বুকে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে থাকে। সাধারণত বেশি মসলা, চর্বিযুক্ত, তৈলাক্ত খাবার, ভাজাপোড়া অতিরিক্ত বেশি খেলে বদহজম সহ বুকে ব্যথা হতে পারে।

উল্লেখিত বুকের ব্যথার সমস্যা গুলো হার্ট এটাক বা হৃদরোগের লক্ষণ না হলেও একবার ডাক্তার দ্বারা পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত। 

হৃদ রোগের লক্ষণ: 

বুকে ব্যথা মানেই কি হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ তা জানার জন্য হৃদরোগের লক্ষণ বা উপসর্গগুলো কি ধরনের তা আমাদের সকলেরই জানার দরকার। চিকিৎসকরা বলেন, হার্ট অ্যাটাকের কিছু উপসর্গ রয়েছে যেগুলো দেখা দিলে সময় মতো চিকিৎসা না করলে রোগীর মৃত্যু হতে পারে।

আরো পড়ুন: হাঁটু ব্যথার কারণ কি কি এবং এর প্রতিকার করার উপায় সমূহ আনুন

হার্ট অ্যাটাকের কিছু লক্ষণ আছে এগুলো দেখা দিলে খুব তাড়াতাড়ি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করানোর জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

  • রক্তনালী বন্ধ-হৃদযন্ত্র বা হাটে রক্ত সরবরাহকারী রক্তনালী যদি বন্ধ হয়ে যায়। এবং এর ফলে রক্ত যদি হাটে যেতে না পারে। তাহলে হাটের মাংসপেশীতে প্রয়োজন মাফিক অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে না। তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়।
  • বুকের মাঝখানে ব্যথা- চিকিৎসকদের মতে,যদি হার্টের সমস্যা হয় তাহলে একেবারেই বুকের মাঝখানে চাপ ধরে থাকার মত ব্যথা হবে। মনে হবে বুকের মধ্যে কেউ বা কোন কিছু চেপে ধরে বসে আছে। এই ব্যথা ডানে বা বুকের বামে ব্যথা হবে না। একেবারে বুকের মাঝখানে ব্যথা হবে। 
  • হাত ও ঘাড় ব্যথা- হার্ট অ্যাটাকের আরেকটি লক্ষণ হচ্ছে হাত ও ঘাড়ে ব্যথা করা ।যখন ব্যথা ঘাড়ে ছড়িয়ে পড়বে তখন মনে হবে কোন ব্যক্তি গলার মাংস বেশি চেপে ধরে আছে।
  • পেটে ব্যথা- বুকে প্রচণ্ড ব্যথা পেটে ছড়িয়ে পড়ে ।এ ব্যথাকে অনেকেই গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা বলে থাকে। হার্ট অ্যাটাকের ব্যথা পেটে হলে সেটি খুবই তীব্র জ্বালাপোড়া হবে।
  • কাশি ও শ্বাসকষ্ট- হাটের আরেকটি লক্ষণ হচ্ছে শ্বাসকষ্ট শুরু হবে এবং তার সাথে কাশি হবে। হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা যদি জরুরী ভিত্তিতে না নেওয়া হয়। তাহলে হার্ট আস্তে আস্তে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ফুসফুসে পানি জমে কাশি ও শ্বাসকষ্ট হয়।
  • শরীর ঘামা- বুক ব্যথার সাথে সাথে যদি শরীরে প্রচন্ড ঘাম হয়। তাহলে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। তখন এক মুহূর্ত দেরি না করে চিকিৎসকের নিকট যেতে হবে। 
  • অজ্ঞান হওয়া- বুকের ব্যথা অত্যন্ত তীব্র হলে রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। তখন বুঝতে হবে হাটের সমস্যা। এটাও হার্ট অ্যাটাকের একটি লক্ষণ বা উপসর্গ।
  • বমি বমি ভাব- বমি বমি ভাব হলে বা পুরোপুরি বমি হলে তার সাথে যদি বুকে ব্যথা থাকে তাহলে হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গ বা লক্ষণ হতে পারে।
  • হার্ট অ্যাটাকের অন্যান্য লক্ষণ -অন্তত এক মাস আগে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ দেখা দিতে পারে। হৃদপিন্ডের রক্ত চলাচল বন্ধ, শরীর ক্লান্ত ও দুর্বল, মানসিক চাপ ,শরীর ভারী হওয়া, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস ইত্যাদি হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে।

উল্লেখিত হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গ বা লক্ষণ গুলোর মধ্যে যেকোনো একটি দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে ভর্তি করতে হবে। চিকিৎসকদের মতে, হাসপাতালে নেওয়ার পর রোগীর রক্ত পাতলা করার জন্য ঔষধ দিতে হবে।সেই সাথে রক্তনালী হাটে সরবরাহ করে সেটিকে 

আরো প্রসারিত করার জন্য এক ধরনের ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে। এটা দিলে রোগের জীবন বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। সুতরাং উপরে উল্লেখিত আলোচনার মাধ্যমে এটাই প্রতিয়মান  হয় যে বুকে ব্যথা মানেই হৃদরোগ অথবা  বুকে ব্যথা হওয়া মাত্রই এটা হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ নয়।

বুকে ব্যথা রোধের ঘরোয়া উপায়: 

বুকে ব্যথা মানেই কি হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ ? সেটা জানতে বা বুকের বুকের হালকা ব্যথা রোধ করতে কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে সেটা আপনি ব্যবহার করলে বা উপায় গুলো অবলম্বন করলে আপনার সামান্য বা অল্প পরিমাণ বা সাধারণ যে বুকে ব্যথা থাকে সেগুলো কমে যেতে পারে।

এই ঘরোয়া উপায় গুলো হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকের মত বুকের মারাত্মক ব্যাথার কাজ করতে পারে না।তবে বুকের ব্যথা যদি হালকা বা নরমাল হয়ে থাকে তাহলে ঘরোয়া উপায়গুলো বুকের ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।

  • তুলসী গাছ -তুলসী পাতা বা তুলসী গাছের বেশ কিছু রোগের ঔষধি গুন রয়েছে। টাটকা তুলসী পাতা থেকে রস বের করে পান করলে বুকের সামান্য ব্যথা বা হৃদযন্ত্রের ব্যথা কমে যেতে পারে।
  • অ্যালোভেরা -অ্যালোভেরা হৃদরোগ সংক্রান্ত সমস্যা কমাতে এবং বুকে হালকা ব্যথা থাকলে তা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে ।এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সাথে এক চামচ অ্যালোভেরার রস খেলে কাঙ্খিত ফলাফল পাওয়া যেতে পারে।
  • ডালিম- ডালিম এ রয়েছে খনিজ এবং ভিটামিন যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং বুকের হালকা ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে।
  • আদা- আদায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। আদা চায়ের সঙ্গে খাওয়া যেতে পারে বা আলাদা টুকরো টুকরো করে অল্প অল্প করে খাওয়া যেতে পারে।
  • হলুদ-বুকের ব্যথা প্রতিরোধে হলুদ সাহায্য করে এবং বুকের ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে। হলুদ এক গ্লাস হালকা কুসুম গরম দুধের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
  • রসুন -রসুন বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত অবস্থা নিরাময়ে উপকারী। বুকে ব্যথা নিরাময়ে রসুন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘরোয়া প্রতিকার বলে মনে করা হয়। রসুনের ব্যবহার হৃদরোগে ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে এবং বুকের ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে।
  • বাদাম- দিনে কয়েকটা বাদাম খাওয়া তার সাথে এক কাপ দুধ পান করলে বুকে এসিডিটি কমে যেতে পারে।
  • ব্রেকিং সোডা- হালকা গরম পানির সাথে ব্রেকিং সোডা মিশিয়ে পান করলে পাকস্থলীর এসিডের সমস্যা কমিয়ে দেয় এবং সেই সাথে বুকের হালকা ব্যথা কমে যেতে পারে।
  • রেস্ট করুন- আপনার যদি বুকে ব্যথা হয় তাহলে কোন দৌড়াদৌড়ি, হাঁটা চলা ,কাজকর্ম না করে শুয়ে থেকে রেস্ট করতে হবে। তা না হলে বুকের ব্যথা আরো বেড়ে যেতে পারে।
  • আপেল সিডার ভিনেগার- এটি এ্যাসিডের সমস্যা কমায়। এই অ্যাসিড এর কারণে বুকে ব্যথা হতে পারে।
  • মাদকদ্রব্য- ধূমপান,মদ্যপান, অ্যালকোহল ইত্যাদি যেকোন মাদকদ্রব্য নেশা জাতীয় উপাদান থেকে দূরে থাকতে হবে।
  • পানি পান- প্রচুর পরিমাণ পানি পান করলে বুকের হালকা ব্যথা সহ শরীরের অন্যান্য রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

আপনার যদি বুকে হালকা ব্যথা থাকে তাহলে উল্লেখিত বুকে ব্যথা দূরীকরণের ঘরোয়া উপায় গুলো মেনে চলার আগে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

শেষ কথা -বুকে ব্যথা মানেই কি হৃদরোগ এর লক্ষণ: 

পোস্টের এই আলোচনার মাধ্যমে এটাই প্রতিীয়মান হয় যে বুকে বিভিন্ন ধরনের ব্যথা হতে পারে। কিন্তু সব ধরনের ব্যথা হৃদরোগের বাঁ হাট অ্যাটাকের লক্ষণ নয়। তার মানে বুকে ব্যথা হলেই যে হৃদরোগের লক্ষণ তা নয়। তাই আপনার যদি বুকে ব্যথা হয়ে থাকে তাহলে কোন চিন্তা করবেন না বা কোন টেনশন করবেন না। 

আরো পড়ুন: ডায়াবেটিস কত পয়েন্ট হলে মানুষ মারা যায় সবারই জানা দরকার

তাই চিন্তা ,ভাবনা ,টেনশন না করে আপনি একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের নিকট শরণাপন্ন হতে পারেন। পোস্টটি ভালো লেগে থাকলে পুরোপুরি পড়ুন এবং মন্তব্য করুন।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url